অদৃশ্য বন্ধুত্ব_(friends 4ever) by al-momin shopno

সকালবেলা ঘুম থেকে উঠেই কিসের যেন অভাব অনুভব করলাম । কিছুতেই মনে করতে না পেরে ফ্রেশ হতে চলে গেলাম । আজকে শনিবার হওয়ায় অফিস বন্ধ । গতকাল ও বন্ধ ছিল , তাই সব বন্ধু মিলে একটা পার্টি দিছিলাম । দুপুরে নামাজ পরে খাবার খেয়ে বিছানায় শুতেই ঘুম চলে আসলো। হঠাত রাকিবের ফোনে ঘুম ভাঙল।

ঃ কিরে, আর কত ঘুমাবি!
ঃ না দোস্ত, এই তো
ঃ তুই ভুলে গেছিস!
ঃ না রে। একটু ঘুমায় গেছিলাম । wait কর, আসতেছি ।
ঃ হুম, আয় জলদি । অনেক দেরি হয়ে গেছে ।

রাকিব আমার ভালো বন্ধুগুলোর একজন। রাকিব একটা multinational কোম্পানিতে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে আছে । ভালোই কামায় রাকিব। স্ত্রী সংসার নিয়ে ভালোই আছে। রাকিবের কাহিনীটা অনেক বড় । তাই সংক্ষেপে বলা যাক । জীবনের প্রথম ভালবাসাটা ওর বেশিদিন টিকেনি । কিন্তু আর কতদিন একা একা…… “মেঘ না চাইতেই বৃষ্টি”-র মত রাকিবের জীবনে আসলো ফারাহ । প্রথম প্রথম এড়িয়ে চললেও এক সময় ফারাহ-র প্রতি তার মনে ভালবাসার জন্ম নেয় । ওদের বিয়ে হইছে এইতো বছর দুয়েক হলো । সুখেই আছে ওরা ।

আমি বরাবরই বাস্তববাদী ছেলে । জীবনে অনেককিছু করতে চাইলেও কিছুই করতে পারি নাই । বর্তমানে একটা প্রাইভেট কোম্পানিতে মোটামুটি ভালো পোষ্টে আছি । খারাপ কামাই না, এইতো বছর চারেক হল চাকরি করে যাচ্ছি । তবে business করার ইচ্ছা আছে । জানিনা এটাও পুরন হবে নাকি! আমার পরিবার রংপুরে থাকে । চট্রগ্রাম থেকে রংপুরে চলে গেছে । ছোট ভাইটাও সেখানেই থাকে । আর ভাইয়া ভাবিকে নিয়ে ঢাকাতেই ফ্ল্যাট কিনে থাকে । প্রায়ই ওখানে যাওয়া হয়………আমি তাদেরকে অনেক ভালোবাসি । আমার জীবনে মেয়ে বলতে তেমন কেউ আসে নাই, তবে একবার একজন আসতে চাইছিল কিন্তু শেষ পর্যন্ত অধরাই রয়ে গেল । আমি এখন একটা বাসা ভাড়া নিয়ে ঢাকাতেই আছি… ভালোই আছি ।

তাড়াতাড়ি একটা শার্ট পরে বের হলাম রাস্তায়। জানিনা কোথায় যাবো! ভাবতে ভাবতেই রাকিবের ফোন আসলো……
ঃ কিরে কই তুই?
ঃ এইতো আসতেছি… কিন্তু কোথায় আসবো ?
ঃ তুই এইটাও ভুলে গেলি! তোকে নিয়ে যে কি করব…
মতিঝিলে একটা রেস্তোরায় আসতে বলে ফোনটা কেটে দিলো রাকিব…… রাস্তায় জ্যাম, তাই হেটেই রওনা দিলাম । অন্তত একটু হলেও তাড়াতাড়ি যাওয়া যাবে…

পৌঁছার সাথে সাথে রাকিবের বকা শুনতে শুনতেই রাকিবের মোবাইলে একটা কল আসলো । ফোনের ওপাশে ফারাহ…
ঃ তুমি কই এখন?
ঃ এইতো বেবি, একটু কাজে busy।
ঃ আমি জানি না মনে হয় তুমি কোথায়!! বন্ধুদের সাথে বের হইস না…! তোমার বন্ধুটাকে আর মানুষ করতে পারলাম না।
ঃ হ্যাঁ বেবি, আমি কি করবো বল, ফোন করে ডাকল । আমি না এসে পারি😦
ঃ আচ্ছা ঠিক আছে । তাড়াতাড়ি এসো । okk?
ঃ ঠিক আছে বেবি, এখন রাখি।
ঃ হম, বাই…

রাকিব সবসময় ফারাহকে আমার কথা বলে নিজে বেঁচে যায় । রাকিব জানে আমার কথা শুনলে ফারাহ আর কিছুই বলবে না । ফারাহ জানে আমাদের বন্ধুত্ত টা কত গভীর… সে জানে যে আমরা আকজন আরেকজনকে একদিন না দেখে থাকতে পারি না । বহুদিন যাওয়া হয় না রাকিবদের বাসায় । আগে থেকে জমি কিনে রাখায় রাকিবদের বাড়ি করতে কোন অসুবিধা হয় নাই। রাকিবের কাছেই শুনলাম uncle, aunty ভালো আছে।

ফোন রাখতেই আবার রাকিব আমাকে বকা শুরু করলো।
ঃ তোর জন্য সবসময় বকা খেতে হয় আমাকে ।
ঃ আমি আবার কি করলাম!
ঃ ঠিক আছে, ঠিক আছে । দেখ কে কে আসছে।
ঃ কে আসছে!!!
বলতেই রেস্তোরার ভেতর থেকে তানভির,মুস্ফিক, সজল বেরিয়ে আসলো । আমি দেখে তো পুরা হতবাক । তানভিরকে বরাবরই দেখলেও মুশফিক আর সজলকে দেখে সত্যিই অবাক হইছি । অফিস আর বিভিন্ন জায়গায় নানা সময় থাকার কারনে আমার বেশি না হলেও কম বন্ধু নাই । কিন্তু স্কুল-কলেজ জীবনের বন্ধুরাই তো আসল বন্ধু । সব বন্ধুদের সাথে দেখা বা কথা না হলেও আমার কাউকে ভুলতে ইচ্ছা করে না। কিন্তু জীবনের কঠিন মুহূর্তগুলো পার করার সময় কারো কথা চিন্তা করার সময় পাওয়া যায় না । তাই তাদেরকে একসাথে দেখে ভালোই লাগছে ।

এগুলো কথা ভাবতে ভাবতেই হঠাত তানভীর আমাকে জড়িয়ে ধরল । আমার চোখে পানি এসে গেলো । তানভিরের দেখাদেখি মুশফিক এবং তারপরে সজল । এইসব দেখে রাকিবও…
ঃ আমি কেন বাদ যাবো!
এই বলে রাকিব আমাকে জড়িয়ে ধরল। এতদিন পর এইরকম একটা চমক পেয়ে আমি আর চোখের পানি আটকাতে পারলাম না । এই অবস্তা দেখে সবাই……
মুশফিকঃ আমি এ কি দেখতাছি!🙂
তানভিরঃ তুই আগের মতোই রয়ে গেলি রে।
সজলঃ বাহ, দারুন moment🙂
রাকিবঃ ওই, আর মেয়েদের মত ঢং করে কানবি না্‌ বুঝলি। নাইলে কিন্তু মাইর খাবি।

রাকিব সবসময় মজা করতে পছন্দ করে । তাই আমরাও মজা করে রাকিবকে “তাল গাছ” ডাকি।😛
ঃ ওই তাল গাছ, তোর জন্য একটু কানতেও পারবনা!🙂
এই বলে আমি হেসে দিলাম। এতে সবাই একসাথে হা হা করে হেসে ফেললো ।

তানভিরের বাসা মিরপুরে। তার বড়ো বোনের বিয়ে হয়ে গেছে এক বছর হল। আমাদের মধ্যে সবচেয়ে আজব আর দুঃখী ছেলে হল তানভির । কিন্তু তানভীরকে দেখলে বোঝাই যায় না । তাইতো সবচেয়ে আজব ছেলে ও । আমি কখনো কাঁদতে দেখিনাই তানভীরকে । তানভীরকে মা পরকালে চলে গেছে প্রায় ৮ বছর হল । মা হারানোর বেদনা কাকে বলে তা আমাদের মধ্যে একমাত্র তানভির-ই জানে । আমি গর্ববোধ করি এমন একটা বন্ধু পেয়ে । uncle ঢাকাতেই থাকে । তানভির CA করে ভালোই ইনকাম করতাছে । বোনের বিয়েতে uncle এর সঞ্চয়ের বেশিরভাগ খরচ হলেও কোন চিন্তা নেই । তানভির হল আদর্শ সন্তান এবং বন্ধু ।

মুশফিকঃ কি হল তোর!
ঃ কিছু না।
মুশফিকঃ কোথায় হারায় গেলি।
ঃ না, তা তোরা কোত্থেকে?
সজলঃ আমরা দুইজনই চট্রগ্রাম থেকে আসতেছি ।
মুশফিকঃ হ্যাঁ, কাজে আসছিলাম ।
সজলঃ for business……🙂
ঃ হুম । good… তোদের কাজ হইছে ?
সজলঃ হইছে, but তোদেরকে একসাথে পেয়ে যাইতে ইচ্ছা করতেছেনা ।
রাকিবঃ বেশ তো, থেকে যা আজকে । আমার বাসায় চল । আজকের রাতটা না হয় একসাথে থাকলাম ।
মুশফিকঃ i’ve no problem
সজলঃ me too
তানভিরঃ হুম। ok…

তানভীর একা মানুষ… আর আমি তো ব্যাচেলর। আর এমনিতেও uncle, aunty কে অনেকদিন দেখি না । তাই আমিও আর আপত্তি করলাম না রাকিবের বাসায় যেতে । লালবাগে রাকিবের বাসায় যেতে যেতে অনেক মজা করলাম আমরা । বুঝতে পারতেছি বহুদিন পর অন্যরকম একটা মজা হবে আজকে । রাকিবের বাসার দরজা খুলতেই ফারাহকে দেখলাম। নিল রঙের একটা শাড়ি পরা ফারাহ-কে অপূর্ব লাগছে…। আমাদের সাথে কুশল বিনিময় করেই চলে গেলো ভেতরে । পিছনে পিছনে রাকিব…🙂 আমি জানতাম অতিথিদের রুম কোনটা । তাই ওদেরকে নিয়ে ভিতরে চলে গেলাম । কিছুক্ষন পর ভেতর থেকে রাকিবের ডাক পরল । যেতেই দেখি uncle, aunty, ফারাহ , রাকিব সবাই আছে । uncle আর aunty কে সালাম করেই ওদেরকে পরিচয় করায় দিলাম । আমার দেখাদেখি মুশফিক আর সজলও সালাম করলো । তারপর খাওয়া দাওয়া শেষে আমরা রুমে চলে গেলাম। কিছুক্ষন পর রাকিব আসলো, সাথে সাথে ফারাহ…

রাকিবঃ দোস্ত, আজকে আমি তোদের সাথে থাকব।…(সবাই হাসল)
ঃ ভাবি, তোমার সমস্যা নাই তো? নাকি আমাদের উপর রাগ করছ!!
ফারাহঃ কি যে বল না । আমি তোমাদের বন্ধুত্ব নিয়ে সামান্য হিংসা করি, এর চেয়ে বেশি কিছু না । হা হা হা হা হা ।
আচ্ছা, তোমরা গল্প করো। আমি যাই।
ঃ শুভ রাত্রি ।
ফারাহঃ শুভ রাত্রি।
এই বলে ফারাহ আর রাকিব বাইরে গেল ।
রাকিবঃ তোমার একা একা থাকতে অসুবিধা হবে না তো?
ফারাহঃ না…। কোন সমস্যা নাই ।
রাকিবঃ ঠিক আছে । অনেক রাত হয়ে গেছে । শুয়ে পর ।
ফারাহঃ ok…good night baby…🙂
রাকিবঃ good night

রাকিব রুমের ভেতরে এসে সোজা বিছানায় এসে বসল ।
রাকিবঃ তোদের মনে আছে কলেজ এর কথা?
সজলঃ কত মজা হতো । আমি ,সাফকাত, সামি, আসিফ, সাজ্জাদ, ইনান, ওই যে মন্নান… হা হা হা হা
ঃ সেই আদিত্ত, খারেদ, ইমতু, ইস্তিয়াক……
মুশফিকঃ আরমান, ইরফান…… কত মজাটাই না হত!
রাকিবঃ আর সবচেয়ে মজা হতো যখন আমদের কান ঝালাপালা করে “পিটবুল”-এর গান গাইত, টিচারদেরকেও ছারে নাই শালা… হা হা হা হা… এসব স্মৃতি কি ভলা যায়?

হটাত বুকের মাঝে চিন চিন করে বেথা অনুভব করলাম… যেমনটা চট্রগ্রামের কথা শুনে হইছিল ঠিক তেমন । হঠাত সবাই চুপ হয়ে গেলো । কিছুক্ষণ নিরবতার পর রাকিব বলে উঠলো…
রাকিবঃ কিরে, কি হল তোদের ! চল টিভি দেখি ।
সবাই এই ধাক্কাটা কাটিয়ে উঠতে পারলেও আমি পারি নাই । কিসের যেন একটা ভয়, একটা দুঃখ, একটা না পাওয়ার বেদনা, একটা হারানো অনুভুতি জেগে উঠলো মনের মধ্যে………………….

পরদিন সকাল ১০ টা নাগাদ মুশফিক আর সজল আমাদের থেকে বিদায় নিয়ে চলে গেলো । তানভির আর রাকিবের থেকে বিদায় নিয়ে আমি আমার বাসার পথে হাঁটা শুরু করলাম । জানি না কেন মনটা ভালো নেই ! আজকে আর অফিস যাওয়া হল না । তাতে কি হইছে ? বন্ধুর চেয়ে বড়ো আর কি আছে । বাসায় ঢুকতে ঢুকতে দুপুর পার হয়ে গেল । কি করবো বুঝতে পারছি না । খালি কেমন যেন লাগছে । না খেয়ে বিছানায় মাথা দিতেই মনে পড়লো, প্রত্যেক সকালে ঘুম থেকে উঠে আমি সেই পিটবুলেরই ফোনের অভাব অনুভব করতাম । প্রত্যেকদিন আমাকে যে ফোন করত তার এখন আর দেখা নেই । সকালে উঠেই…… তুই কি করবি, কোথায় যাবি, কেন যাবি, কি পরে বের হবি?… কত শত প্রশ্ন । এখন কোথায় জানি হারিয়ে গেছে সব ।

কালকে রাকিবও অনুভব করছে পিটবুলের অনুপস্থিতি… হয়ত সবার ক্ষেত্রেই তাই হইছে…। মানুষের অভাব মানুষকে যে এত কষ্ট দেয় টা হয়ত বুঝতে পারতাছি, আর যদি টা আপন কেউ হয় তাইলে এই দুঃখ অশ্রু হয়ে ঝড়ে পরে। তাই তো নিজের অজান্তেই চোখের পানি ধরে রাখতে পারতাছিনা। আমি দুঃখের সাগরে ডুবে যাওয়ার অন্তিম মুহূর্তেই রাকিবের কলের শব্দে নিজেকে ফিরে পেলাম।
ঃ হ্যাঁ, দোস্ত বল।
রাকিবঃ তুই কেমন আছস এখন!
ঃ হটাত এই প্রশ্ন? (কথাটা বলতে গলা ধরে এল আমার)
রাকিবঃ দোস্ত, আমি সবি বুঝি, কিন্তু কি করবো বল,তাহসিনের যাওয়ার প্রায় ৩ বছর হল। প্রথম কয়েক মাস যোগাযোগ থাকলেও পরে আস্তে আস্তে আর নাই…

আমি প্রচণ্ড বেথায় হাউ মাউ করে কেঁদে ফেললাম । (তাহসিনের USA যাওয়ার কয়েক মাস পর আর খবর নাই । যাকে ছাড়া আমি এক সেকেন্ডও চলতে পারতাম না, যাকে আমি নিজের ভাইয়ের থেকেও বেশি ভালবেসেছি । তার অনুপস্তিথি আসলেই আমার হৃদয়কে ছারখার করে ফেলছে । তাহসিন যতই অন্যান্য কাজে busy থাকুক আমাকে ছাড়া তার চলত না । সেই তাহসিন আজ নেই আমার পাশে)

ফোনের ওইপাশ থেকে রাকিবের আওয়াজ কানে লাগলে শুনতে পাই
রাকিবঃ তুই কি ভেবেছিস ? আমার মনে নেই! আমার সবই মনে আছে । আমি তাহসিনের বাসায় গেছিলাম । ওর আব্বু-আম্মু ওদের বাসাটা ভারা দিয়ে দিছে । উনারা FLAT কিনসে । এখন ফ্লাট এই থাকে সবাই । কিন্তু অনেক খুজেও ফ্লাটের ঠিকানা পাই নাই । শুনলাম, তাহসিন নাকি ওইখানেই sattled হবে আর বিয়েও করবে তাড়াতাড়ি । ইতার ফেসবুক আইডি তে অনেক মেসেজ পাঠাইছি । মনে হয় বেস্ততার কারনে ফেসবুক এ বসার সময় পায় না !! আর তুই এত ভেঙ্গে পরিস না। আমরা তো আছিই…। ( বলতে বলতে রাকিবের গলা ধরে এল )

আচ্ছা এখন রাখি, পরে কথা হবে, ভালো থাকিস।
বলেই ফোনটা অফ হয়ে গেলো ।

হয়ত একদিন তাহসিনের সাথে আমাদের দেখা হবে…… হয়ত নাও হতে পারে…। সময়ই সব বলে দিবে…।
আমি শুধু বুক ভরা আশা নিয়ে অপেক্ষা করে যাবো সেই চির চেনা মুখটির জন্য।
আর বলব-
“জানি কছেই আছো , ছুঁয়ে দেখতে পারি না
জানি পাশেই আছো ,উপলব্ধি করি না
শুধু স্বপ্ন দেখি, একদিন দুজনে আকাশ ছোঁব
বিষণ্ণতার সাথে আড়ি নিবো”

অদৃশ্য বন্ধুত্ব আছে, থাকবে চিরকাল।
তাইতো বিশ্বাস করি friends 4ever
___সমাপ্ত____

About valobashavalobashi

happy healthy helpfull ever after...

Posted on এপ্রিল 21, 2012, in VALOBASHA KOBITA and tagged , , . Bookmark the permalink. মন্তব্য দিন.

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s